হালনাগাদ

আর্সেনালকে হারিয়ে কারাবাও কাপের শেষ আটে ইতিহাস গড়ল ফ্লিটউড টাউন

আর্সেনালকে হারিয়ে কারাবাও কাপের শেষ আটে ইতিহাস গড়ল ফ্লিটউড টাউন

ছবির সূত্রbbci.co.uk

প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ ক্লাব আর্সেনালকে টাইব্রেকারে হারিয়ে কারাবাও কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে লিগ টু-এর দল ফ্লিটউড টাউন। নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে ড্র থাকার পর রোমাঞ্চকর শুটআউটে জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।

মূল বিষয়গুলো

  • ›৮৪ ধাপ পিছিয়ে থাকা লিগ টু-এর দল ফ্লিটউড টাউন আর্সেনালকে পেনাল্টি শুটআউটে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে।
  • ›নির্ধারিত সময়ে ফ্লিটউডের হয়ে অ্যারন লুপালো-বি এবং আর্সেনালের পক্ষে ভিক্টর গিওকেরেস গোল করেন।
  • ›আর্সেনালের ম্যাক্স ডাউম্যান লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ম্যাচে বড় সুবিধা পায় ফ্লিটউড।
  • ›২০১২ সালে ইএফএলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর ফ্লিটউড টাউন এই প্রথম টুর্নামেন্টের শেষ আটে পৌঁছাল।

ইংলিশ ফুটবলের অন্যতম বড় অঘটনের সাক্ষী হলো কারাবাও কাপ। মঙ্গলবার টুর্নামেন্টের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালকে টাইব্রেকারে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে লিগ টু-এর ক্লাব ফ্লিটউড টাউন। র‍্যাঙ্কিং ও শক্তিমত্তার বিচারে দুই দলের মধ্যে ৮৪ ধাপের বিশাল ব্যবধান থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে ল্যাঙ্কাশায়ারের এই ছোট ক্লাবটি।

ইতিহাস গড়ার পথে ফ্লিটউডের লড়াই

ম্যাচের ২১তম মিনিটে অ্যারন লুপালো-বির গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিক ফ্লিটউড। বিরতির পর ভিক্টর গিওকেরেস আর্সেনালকে সমতায় ফেরান। সমতায় ফেরার পর গানাররা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেবে এমন প্রত্যাশা থাকলেও ফ্লিটউডের রক্ষণভাগ দৃঢ়তা বজায় রাখে। এরই মধ্যে হ্যারিসন নিলের চ্যালেঞ্জের পর মেজাজ হারিয়ে লাথি মেরে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্সেনালের ম্যাক্স ডাউম্যান। নির্ধারিত সময় শেষে ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে।

টাইব্রেকারে কনর হহির লক্ষ্যভেদ শটে নিশ্চিত হয় ফ্লিটউডের রোমাঞ্চকর জয়। ২০১২ সালে ইংলিশ ফুটবল লিগে জায়গা করে নেওয়ার পর এই প্রথম ক্লাবটি টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল।

ম্যাচের প্রধান পাঁচটি মুহূর্ত

  1. ২১তম মিনিটে অ্যারন লুপালো-বির গোলে ফ্লিটউডের চমকপ্রদ সূচনা ও লিড গ্রহণ।
  2. দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্সেনালের হয়ে ভিক্টর গিওকেরেসের সমতাসূচক গোল।
  3. হ্যারিসন নিলের ট্যাকলের প্রতিক্রিয়ায় ম্যাক্স ডাউম্যানের লাল কার্ড এবং আর্সেনালের ১০ জনে পরিণত হওয়া।
  4. নির্ধারিত সময়ে আর্সেনালের সুযোগ নষ্ট এবং ফ্লিটউডের সুশৃঙ্খল রক্ষণ ধরে রাখা।
  5. টাইব্রেকারে কনর হহির শেষ স্পট-কিকে ফ্লিটউডের জয় নিশ্চিত হওয়া ও সমর্থকদের মাঠে উদযাপন।

কোচ ও খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস

স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ফ্লিটউড ম্যানেজার ম্যাট ললর বলেন, শক্তিশালী আর্সেনালকে হারানো তাদের ক্লাবের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রাত। তিনি জানান, দলের এমন পারফরম্যান্স পুরো শহর এবং ক্লাবকে গর্বিত করেছে।

বিবিসি রেডিও ৫ লাইভকে ক্লাবের লেফট-ব্যাক জেক ব্যাটি বলেন, লিগ টু-তে ১৮তম স্থানে থাকা দলটির জন্য কাপ প্রতিযোগিতার এই সাফল্য দারুণ অনুপ্রেরণার। কোয়ার্টার ফাইনালে যে কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে নির্ভীক ফুটবল খেলতে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।

সূত্রbbci.co.uk

সাধারণ প্রশ্ন

ফ্লিটউড বনাম আর্সেনাল ম্যাচের ফল কী ছিল?

নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে ড্র থাকার পর পেনাল্টি শুটআউটে জয় নিশ্চিত করে ফ্লিটউড টাউন।

ম্যাচে কারা গোল করেছিলেন?

ফ্লিটউড টাউনের পক্ষে অ্যারন লুপালো-বি এবং আর্সেনালের হয়ে ভিক্টর গিওকেরেস গোল করেন।

ম্যাচে কে লাল কার্ড পেয়েছিলেন?

আর্সেনালের ম্যাক্স ডাউম্যান মেজাজ হারিয়ে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে লাথি মারার অপরাধে লাল কার্ড পান।

সম্পর্কিত